আব্দুর রাজ্জাক,জয়পুরহাট:জয়পুরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান সাঈদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় নিজের সম্পদ, আয় ও মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন।হলফনামা দাখিলের সময় ২৯ ডিসেম্বর ডক্টর ফজলুর রহমান জেলার ট্রেনিং কর্মকর্তা আল মামুন মিয়ার কাছে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন৷
হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৫ করবর্ষের আয়কর রিটার্নে তিনি তার সম্পদের বিবরণ উল্লেখ করেছেন। বার্ষিক আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি খাত থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং ব্যবসা খাত থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
প্রার্থীর পিতার নাম মো. তছির উদ্দীন মন্ডল এবং মাতার নাম শরীফুন নেছা। তার জন্ম তারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৫৬ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (বি.এ পাস)। তার বর্তমান ঠিকানা জয়পুরহাট পৌরসভার এতিমখানা রোড, ধানমন্ডি এলাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা জয়পুরহাট জেলার কুজিশহর গ্রাম, নারায়নপাড়া।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ২৪ হাজার ৮০৪ টাকা। তার স্ত্রীর হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৭৯ হাজার ৩০৫ টাকা এবং নির্ভরশীলদের নামে রয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার মালিকানায় রয়েছে ২ ভরি স্বর্ণালংকার, যার অর্জনকালীন মূল্য ২০ হাজার টাকা। এছাড়া ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ১ লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ৫০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মোট মূল্য ৩ লাখ ৬ হাজার ৮০৪ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৬ হাজার ৮০৪ টাকা।
স্থাবর সম্পদ রয়েছে ১৫২ শতক কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়া আরও ৩০ শতক জমির অর্জনকালীন মূল্য ৩০ হাজার টাকা। এসব জমির বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য যথাক্রমে ৪৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৬ লাখ টাকা।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরক আইন এবং দ্রুত বিচার আইনে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। তবে দাখিলকৃত তথ্য অনুযায়ী, এসব মামলায় তিনি বিভিন্ন সময়ে খালাস পেয়েছেন। একটি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ও জামিনে নিষ্পত্তি হয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
ফজলুর রহমান সাঈদ ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর জয়পুরহাটে অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ফকিরের মাধ্যমে শপথপূর্বক এ হলফনামা প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন